আজকের শিশুরাই আগামি দিনের ভবিষ্যত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারাই আগামীতে দেশ পরিচালনা করবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সব মানুষ উন্নত জীবন পাবে। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমরাই ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনা করবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হবে। দেশকে গভীরভাবে ভালোবাসবে।

আমরা যেখানে রেখে যাবো তোমরা সেখান থেকে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’তিনি বলেন, ‘আমরা তোমাদের জন্য বিনামূল্যে বই দিচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি। সারাদেশে স্কুল প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছি। সেখানে কম্পিউটার ও আধুনিক প্রযুক্তির শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সন্তানের শিক্ষার জন্য এক কোটি ৩০ লাখ মায়ের মোবাইলে টাকা পাঠানো হচ্ছে।

দেশের ও মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করবে।’শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশকে বিশ্ব সভায় মর্যাদার আসনে নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য ছিল। আমরা বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে এসেছি। কারও কাছে হাত পেতে নয়, মাথা নত করে নয়, আমরা বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবো।’

সবশেষে সমাবেশে উপস্থিত ছোট্ট সোনমনিদের দোয়া, আর্শীবাদ  ও ভালোবাসা জানিয়ে তিনি বক্তব্য শেষ করে।এর আগে ৪৮তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু-কিশোর সমাবেশে লাখো কণ্ঠে ধ্বনিত হয় জাতীয় সংগীত।তোমরা ঠিকমতো লেখাপড়া করবে।

নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের সুশিক্ষিত করতে হবে। শিশুদের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে। তাদের প্রতি সহিংস আচরণ এবং সকল ধরনের নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। 

সরকার প্রধান বলেন, শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এছাড়া সকল শিশুর সমঅধিকার নিশ্চিত করে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের কুপ্রভাব থেকে শিশুদের মুক্ত রেখে উন্নত ভবিষ্যৎ গড়তে কাজ করছে সরকার।

জাতীয় সংগীতের পর প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করেন শিশু-কিশোর সমাবেশের নেতার কাছ থেকে। পরে তিনি পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সমাবেশের উদ্বোধন করেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*