Home বাংলাদেশ রাতে ঢাকা ছাড়ছেন ঈদে ঘরমুখো মানুষ

রাতে ঢাকা ছাড়ছেন ঈদে ঘরমুখো মানুষ

964
0
ঢাকা ছাড়ছেন ঈদে ঘরমুখো মানুষ
ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে রাজধানীবাসী। ঈদের আগের ৪ দিন সব ধরনের যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে এখন থেকেই এমন তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে রাজধানীবাসী। ঈদের আগের ৪ দিন সব ধরনের যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে এখন থেকেই এমন তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

আর এ কারণে দ্বিগুণ দামে ভাড়া করা হচ্ছে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস। ঢাকা থেকে বের হতে পুলিশি ঝামেলা এড়াতে সেহরির পরের সময়টাকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একই যানবাহন বিভিন্নজনে ব্যবহার করায় সংক্রমণের ঝুঁকি অতিমাত্রাই বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে কঠোর হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

রাজধানী থেকে বের হওয়ার সময় চেকপোস্টে উপযুক্ত জবাব না পেলে তাদের সংক্রমণ আইনে জেল-জরিমানার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এদিকে ঘরমুখো মানুষের ঢল ঠেকাতে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথে সব ধরনের ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, করোনা শনাক্তের পর মার্চ থেকেই ধীরে ধীরে লকডাউনে চলে যায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাসহ দেশের অধিকাংশ জেলা। সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ সময়ে কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে সাধারণ ছুটি। জনসাধারণের চলাচলেও কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। যদিও ১০মে স্বল্প পরিসরে খুলে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে মার্কেটগুলো।

এছাড়া বড় বড় শপিংমলগুলো বন্ধ রয়েছে। এরইমাঝে কাজে যোগ দিয়েছে গার্মেন্ট শ্রমিকরা। শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না কোথাও। এমন পরিস্থিতিতে প্রায় প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তে সংখ্যা হাজার ছাড়াচ্ছে। এরইমধ্যে মৃতু্যর মিছিলে যোগ হয়েছে প্রায় ৩৫০ জন। আক্রান্ত ২৩ হাজারের উপরে। প্রায় প্রতিদিনই এমন রেকর্ড ভাঙাগড়ার মধ্যে নতুন করে ৩০মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়ানো হয়। এরমাঝে ঈদের ছুটিও রয়েছে।

সম্প্রতি বেতন ও ঈদের বোনাস পাওয়ার পর এবার বাড়ি ফেরার জন্য মরিয়া দীর্ঘদিন লকডাউনে আটকে থাকা সাধারণ মানুষ। এজন্য তারা দ্বিগুণ টাকা দিয়ে ভাড়ায় চালিত ছোট যানবাহন ভাড়া করছেন। রাস্তায় পুলিশি ঝামেলা এড়াতে সবাই সেহেরির পরপরই রওয়ানা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, করোনা শনাক্তের ৮০ শতাংশ লোক রাজধানী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা।

এসব এলাকার অধিকাংশ লোক দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে এখানে চাকরি করেন। প্রতি বছর ঈদেই এসব বাসিন্দারা বাড়ি ফিরে যান। এজন্য রাস্তাঘাটে উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, এবার এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হলেও যদি ৩০ শতাংশ লোকও বাড়িতে যায় তাহলে করোনা মহামারি আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় যায়যায়দিনকে বলেন, করোনা শনাক্তের পর কিছুদিন মানুষ ঘরে ছিল। এরপর তারা গলিতে আড্ডা দেওয়া শুরু করে। পরে মেইন রোডে আসে। এখন আবার তারা বাড়িও চলে যাচ্ছে। চেকপোস্টে তাদের পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে নানা অজুহাত দাঁড় করাচ্ছেন। কোনো কোনো সময় তারা নিজের নিকট আত্মীয় মরে গেছে বলে মিথ্যাও বলছেন।

এমন পরিস্থিতিতে আরও কঠোর হবে পুলিশ। এখন থেকে চেকপোস্টে প্রমাণসহ তথ্য দিতে না পারলে তাদের সংক্রমণ আইনে জেল-জরিমানার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এজন্য সব থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ৮টি ক্রাইম জোনের ডিসিদের চেকপোস্ট তদারকি করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেভাবেই হোক বাড়ি ফেরার এই ঝুঁকি থামাতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাসের শনাক্তের পর সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে সারাদেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। এরপর ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। পরে আবারও ছুটি বাড়িয়ে ২৮ মে পর্যন্ত করা হয়। এই সময়ের মধ্যে ঈদের ছুটি রয়েছে ২৪, ২৫ ও ২৬ মে।

২৮ মে-এর পরের দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেটি বেড়ে দাঁড়ায় ৩০ মে পর্যন্ত। এ সময় গণপরিবহণ যেমন বন্ধ থাকবে, তেমনই কোনো ধরনের ব্যক্তিগত গাড়িও এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যাতায়াত করতে পারবে না এবং শহরের মধ্যে এগুলোর চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। সবাইকে ঈদে নিজ নিজ বাড়িতে বা বর্তমান অবস্থানে থাকার জন্যও আহ্বান জানানো হয়।

এরই মাঝে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বেতন ও বোনাস ভাতা প্রদান করা হলে সবাই বাড়ি যাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন যারা পরিবার ও ছোট সন্তানদের নিয়ে একই ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন তারা যেকোনো মূল্যে বাড়ি যাওয়ার জন্য রেন্ট-এ-কার অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এই সুযোগটিও ভালোভাবেই লুফে নিচ্ছেন ব্যবসায়িরা। এই সুযোগে তারাও ভাড়া বাড়িয়ে দ্বিগুণ করলেও সেটাতেই রাজি হয়ে যাচ্ছেন অনেকে।

ফারুক নামের এক রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী জানান, গত ১৫ মে তিনি লালমনিরহাটে যাওয়ার জন্য এক সরকারি চাকরিজীবীকে ২৮ হাজার টাকায় একটি ১৪ সিটের মাইক্রোবাস ভাড়া দেন। সাধারণ সময় সেখানে যাওয়ার জন্য ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এখন হাইওয়ে পুলিশকে ম্যানেজ করার কথা বলে বাড়তি এ টাকার নেওয়া হচ্ছে। আবার অনেক সময় পুলিশও আটকায়। তাদেরকেও ম্যানেজ করতে হয়। এসব কারণে ব্যবসায়িরাও ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন।

আশিকুর রহমান নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা পরিচয় গোপন রেখে বলেন, তিনি সরকারি ব্যাংকটির যে শাখায় কর্মরত রয়েছেন সেখানে রোস্টার অনুযায়ি ডিউটি করা হয়েছে। সরকারের নতুন ছুটির সময়ে তার ডিউটি পড়েনি। এ কারণে তিনি যেভাবেই হোক বাড়ি যাবেন। যশোরে যাওয়ার জন্য তিনি ২২ হাজার টাকা দিয়ে গাড়ি ভাড়া করেছেন।

রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ীরা জানান, এবার ঈদে তাদের তেমন কোনো ভাড়া নেই। তবে অনেকে বাড়ি যাওয়ার জন্য গোপনে গাড়ি চাচ্ছেন। আবার অনেকে পরিচিতদের মাধ্যেমেও গাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন। তবে ব্যবসার ক্ষতি ও ঝুঁকির কথা চিন্তা করে দ্বিগুণ ভাড়া চাওয়া হলেও অনেকে তাতেই রাজি হচ্ছেন। এজন্য সেহরির পরপরই তাদের নিয়ে গন্তব্যে রওয়ানা দিতে হচ্ছে। ফজরের নামাজের আগেই ঢাকা থেকে বের হওয়া যাচ্ছে। এতে পুলিশি ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

কারণ ওই সময়ে পুলিশ সদস্যরা বিশ্রাম নেয়। এই সুযোগে ঢাকা থেকে বেরিয়ে গেলে রাস্তায় আর তেমন কোনো ঝামেলা হয় না। আবার অনেক সময় ঝামেলা হলেও যাত্রীরাই তা ম্যানেজ করে ফেলেন। অনেক যাত্রী গাড়ির পুলিশি ঝামেলা নিজেই সমাধান করবেন এমন অলিখিত চুক্তিতে ভাড়া নিচ্ছেন। এতে পুলিশি ঝামেলা নিয়ে চালকের চিন্তা মুক্ত থাকতে হয়।

কাঁঠালবাড়ী ঘাটে মানুষের ঢল;
কাঁঠালবাড়ী ঘাটে মানুষের ঢল;

এদিকে ঈদ সামনে রেখে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। ফলে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। পদ্মা নদী পারের অপেক্ষায় ঘাট এলাকায় তিন শতাধিক গাড়ি। সোমবার দুপুরে কাঁঠালবাড়ী ঘাট সূত্র এ তথ্য জানায়।

সূত্র জানায়, ঈদ সামনে রেখে ঢাকা থেকে ফেরা যাত্রীদের চাপ রয়েছে ঘাটে। তবে ঢাকাগামী যাত্রীদের সংখ্যা অনেকটাই কমে গেছে। সোমবার ভোর থেকেই হাজার হাজার যাত্রী শিমুলিয়া হয়ে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে আসছে। ফলে যাত্রীদের উপচেপড়া চাপে ফেরিতে গাড়ি পারাপারে বিঘ্ন ঘটছে।

এদিকে, রোববার (১৭ মে) বিকাল থেকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে জরুরি প্রয়োজনে মাত্র ৪টি ফেরি চালু ছিল। তবে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় সোমবার সকাল থেকে ১২/১৩টি ফেরি চলাচল করেছে।

লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় একমাত্র ফেরিতে করেই যাত্রীদের পার হতে হচ্ছে। ফলে ফেরিতে সাধারণ যাত্রীদের চাপে গাড়ি পারাপারে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। রোববার বিকাল থেকে মাত্র ৪টি ফেরি চলাচল করায় কাঁঠালবাড়ী ঘাটে পারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাছাড়া শিমুলিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে একটি ফেরি বেশ সময় নিয়ে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে আসছে। এতে করেও গাড়ি পারাপারে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।

ঘাটে পারের অপেক্ষায় থাকা প্রাইভেটকার চালক জসিম উদ্দিন বলেন, বরিশাল থেকে এসেছি। ভোর থেকেই ঘাটে যাত্রী ও গাড়ির চাপ রয়েছে। দুপুর হয়ে গেলেও ফেরিতে উঠতে পারিনি। নদী পারের অপেক্ষায় অনেক গাড়ি আটকে আছে।

ঘরে ফেরা যাত্রী আকাশি আক্তার বলেন, সামনে ঈদ। তাই বাড়ি যাচ্ছি। ঢাকা থেকে ঘাটে পৌঁছতে অনেক কষ্ট হয়েছে। গাড়ি পাওয়া যায় না। অনেক পথ হাঁটতে হয়েছে।

কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুল আলীম বলেন, ঢাকা থেকে প্রচুর যাত্রী আসছে। যাত্রী চাপ বেশি থাকায় সকাল থেকে ১৩টি ফেরি চলাচল করছে। এছাড়া কাঁঠালবাড়ী ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় তিন শতাধিক ছোট গাড়ি আটকে আছে।

ফেরি চলাচল বন্ধ

এদিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথে সব ধরনের ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা রয়েছে। করোনা সংক্রমণ রোধে জেলা প্রশাসনের অনুরোধে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার বন্ধে সোমবার বেলা ১১টা থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে ফেরি কর্তৃপক্ষ।

পাটুরিয়া ঘাটসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চের সাধারণ ছুটি থেকে গণপরিবহণ বন্ধ রয়েছে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এবার যে যেখানে অবস্থান করছেন, তাকে সেখানেই থাকতে সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে। এরপরও গত কয়েক দিন থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেলে করে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন মানুষ। ঈদ উপলক্ষে গতকাল রোববার থেকে দল বেঁধে মানুষ পাটুরিয়া ঘাট হয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাওয়া শুরু করেন। ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকা থেকে যে যেভাবে পারেন, পাটুরিয়া ঘাট হয়ে বাড়ি যেতে থাকেন। এতে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা এবং করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি ছড়ানোর আশঙ্কা বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ সংস্থার (বিআইডবিস্নউটিসি) আরিচা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় ব্যক্তিগত বিভিন্ন গাড়িতে মানুষ পাটুরিয়া আসেন। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রোববার রাত ১১টা থেকে ব্যক্তিগত বিভিন্ন গাড়ি পারাপার বন্ধ রাখা হয়। তবে পণ্যবাহী গাড়ি পারাপার সচল রাখতে চার-পাঁচটি ফেরি চালু রাখা হয়। এসব ফেরিতেও মানুষ হুড়মুড় করে উঠে নদী পার হতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে করোনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। পরে পুলিশ প্রশাসনের অনুরোধে সোমবার বেলা ১১টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

বিআইডবিস্নউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জিলস্নুর রহমান বলেন, সোমবার দুপুর পর্যন্ত কেউ কেউ ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে পাটুরিয়া ঘাটে আসছেন। তবে ফেরি বন্ধ থাকায় অনেকে উল্টো পথে চলে যাচ্ছেন। পণ্যবাহী গাড়িগুলো ঘাটে আটকা পড়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে।

মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান বলেন, করোনার বিস্তার ঠেকাতে মানুষের চলাচল বন্ধে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের গোলড়া এলাকায় তলস্নাশি চৌকি বসানো হয়েছে। জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবহনকারী যানবাহন ছাড়া কোনো গাড়ি পাটুরিয়ার দিকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

সংগৃহীত: (যায় যায় দিন)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here