Home ক্রিকেট বিদায় বেলায় আগুন ঝড়ানো বল ওয়াহাবের, বড় জয় ঢাকার

বিদায় বেলায় আগুন ঝড়ানো বল ওয়াহাবের, বড় জয় ঢাকার

157
0

দেশে ফিরে যাবেন। ঢাকা প্লাটুনকে এবারের আসরের মতো বলবেন বিদায়। সব কিছু ঠিক, এমন সময়ে এসে শেষবেলায় ঢাকার সমর্থকদের যেন আফসোস বাড়িয়ে গেলেন ওয়াহাব রিয়াজ। মিরপুরে আজ (সোমবার) বল হাতে রীতিমত আগুন ঝরালেন পাকিস্তানি এই পেসার।

নামের পাশে তখন ৪ উইকেট, খরচ করেননি এক রানও! ওয়াহাব রিয়াজের প্রথম ৯টি বল নামের পাশে তখন ৪ উইকেট, অথচ খরচ করেননি এক রানও! ওয়াহাব রিয়াজের প্রথম ৯টি বল যেন আগুনের গোলা দেখছিলেন রাজশাহী রয়্যালসের ব্যাটসম্যানরা।

কার্যত পাকিস্তানি পেসারের ওই ৯ বলেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে আন্দ্রে রাসেলের দল। আগুনের গোলা দেখছিলেন রাজশাহী রয়্যালসের ব্যাটসম্যানরা। কার্যত পাকিস্তানি পেসারের ওই ৯ বলেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে আন্দ্রে রাসেলের দল।ওপেনার লিটন দাসকে ফিরিয়ে শুরু।

ঢাকা অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ওয়াহাবকে প্রথম আক্রমণে আনেন চতুর্থ ওভারে। একই ওভারে অলক কাপালি আর শোয়েব মালিকও হন ওয়াহাবের শিকার।চতুর্থ ওভারের ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি রাজশাহী।১৩তম ওভার আরেক দফা তোপ দাগেন পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার।

নিজের প্রথম ২ ওভারে তাঁর বোলিং বিশ্লেষণ— ১ মেডেন দিয়ে ১ রানে ৪ উইকেট। টিভিতে তাঁর এই বোলিং ফিগার ‘৪ রানে ১ উইকেট’ বলে দৃষ্টিভ্রম হওয়াটা মোটেও অস্বাভাবিক নয়!টানা ১৪টা ডট দিয়ে পান ৪ উইকেট। খেলার ধরনটা দর্শকদের পছন্দ-অপছন্দ যেটাই হোক, তামিমকে ভীষণ কাজে দিচ্ছে।

ওয়াহাবকে দুহাত মেলে ওড়ার সুযোগটা করে দিয়েছিলেন তাঁর দুই সতীর্থ ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও আসিফ আলী। ফিফটি পরে, তামিম ৩০ পেরোনো ইনিংস খেললেই দেখা যাচ্ছে জিতে যায় ঢাকা প্লাটুন! টুর্নামেন্টে বাঁ হাতি ওপেনার নির্দিষ্ট একটা ছকে এগোচ্ছেন। শুরুতে কোনো ঝুঁকি নিচ্ছেন না, এগোচ্ছেন ধীরলয়ে।

এর আগে তামিম ইকবাল আর আসিফ আলির ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে ৫ উইকেটে ১৭৪ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় ঢাকা প্লাটুন। অথচ টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা তেমন ভালো ছিল না তাদের। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে মোটে ৩৬ রান তুলতে পারে মাশরাফির দল।

চার নম্বরে নেমে ঝড় তুলতে চেয়েছিলেন মেহেদী হাসান। ১১ বলে ১ চার আর ২ ছক্কায় ২১ রান করে তিনি শিকার হন রবি বোপারার। এরপর ফরহাদ রেজার করা ১৩তম ওভারে ফিরে যান আরিফুল হক (৭) আর মাশরাফি (০)। ঢাকা তখন বিপদে।

সেই বিপদ থেকে দলকে উদ্ধার করেন তামিম আর আসিফ। ষষ্ঠ উইকেটে তারা অবিচ্ছিন্ন থাকেন ৯০ রানে। তামিম শুরুতে একটু ধীরগতিতে খেললেও শেষদিকে ঝড় তুলেছেন। ৫২ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় তামিম খেলেন হার না মানা ৬৮ রানের ইনিংস। ২৮ বলে ৪টি করে চার ছক্কায় ৫৫ করেন ।

রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ফরহাদ রেজা। তবে প্রথম ওভারে ২ উইকেট নিয়ে পরে বেদম মার খেয়েছেন এই অলরাউন্ডার। ৩ ওভারে দিয়েছেন ৪৪ রান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here