Home আন্তর্জাতিক রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও শ’ক্তিশা’লী অ’স্ত্র রয়েছে ইরানের

রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও শ’ক্তিশা’লী অ’স্ত্র রয়েছে ইরানের

188
0

রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রর চেয়েও – ইরানের অভিজাত ইসলামি বি’প্লবী গা’র্ড বা’হিনীর (আইআরজিসি) কুদস ফো’র্সের কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে ড্রো’ন হা’মলা চালিয়ে হ’ত্যা করায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তী’ব্র উত্তে’জনা চলছে ইরানের। চলমান উত্তে’জনার কারণে আ’শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে পাল্টাপাল্টি সাম’রিক হাম’লারও।

উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে ইরানের সাম’রিক সক্ষ’মতা নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র হাম’লা চালালে ইরান তা ঠেকাতে পারবে তো? গত বছরের আগস্টে সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষে’পণা’স্ত্র প্রতি’রক্ষা ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দেয় ইরান। ইরানের দাবি অনুযায়ী এটি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার আধুনিক ক্ষে’পণা’স্ত্র প্রতি’রক্ষা ব্যবস্থা প্যাট্রিয়ট ও এস-৩০০ এর চেয়েও বেশি শ’ক্তিশা’লী ও কার্যকরী।

বাবর-৩৭৩ নামের এই ক্ষে’পণা’স্ত্র ব্যবস্থাটি মূলত একটি দূরপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপ যোগ্য ক্ষে’পণা’স্ত্র প্রতি’রক্ষা ব্যবস্থা। এটি দিয়ে একই সময়ে বিভিন্ন উচ্চতায় ও বিভিন্ন দূরত্বের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আ’ঘাত হা’না যায়।

এর সক্ষ’মতা স’ম্পর্কে ইরানের প্র’তির’ক্ষামন্ত্রী আমির হাতামি জানান, এটি ৩০০ কিলোমিটারের বেশি দূরে থাকা কোনো বিমান বা ক্ষে’পণা’স্ত্রকে চিহ্নিত করতে পারে, ২৫০ কিলোমিটার দূর থেকে লক্ষ্য স্থির করতে পারে এবং ২০০ কিলোমিটার দূর থেকে সেটিকে ধ্বং’স করতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ভূমি থেকে ২৭ কিলোমিটারেরও বেশি উচ্চতায় থাকা যে কোনো ধরনের যু’দ্ধবিমান, ড্রো’ন ও উচ্চগ’তিসম্পন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষে’পণা’স্ত্রকে ধ্বংস করতে সক্ষম এই বাবর-৩৭৩। ইরানি উপ-প্র’তির’ক্ষামন্ত্রী ব্রিগে’ডিয়ার জেনারেল হোজ্জাতুল্লাহ গোরেশি‘র দাবি, এটি রাশিয়ার এস-৩০০, যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ও ইসরায়েলের আয়রন ডোম ক্ষে’পণা’স্ত্র ব্যবস্থার প্রতি’দ্বন্দ্বী।

ইরান ২০১০ সাল থেকে এই নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষে’পণা’স্ত্র প্রতি’রক্ষা ব্যবস্থা তৈরির কাজ শুরু করে। দীর্ঘ নয় বছরের অক্লা’ন্ত পরিশ্রমের পর গত ২২ আগস্ট এটি উদ্বোধন করা হয়। ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তে’জনার মধ্যে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষে’পণা’স্ত্র হা’মলা চালালে এই ক্ষে’পণা’স্ত্র প্রতি’রক্ষা ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। বাবর-৩৭৩ ক্ষে’পণা’স্ত্র প্রতি’রক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াও ইরানের আরো কিছু শ’ক্তিশা’লী অ’স্ত্র রয়েছে যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

শাহাব মিসা’ইল

ইরানের বিখ্যাত ক্ষে’পণা’স্ত্র শাহাব মিসা’ইল। মোট ৬টি শাহাব মিসা’ইল রয়েছে ইরানের কাছে। রাশিয়ার ‘এস এস-১’ ক্ষে’পণা’স্ত্রের আদলে তৈরি করা হয়েছে এগুলো। লিবিয়ার ও উত্তর কোরিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তায় ইরান এ ক্ষে’পণা’স্ত্রটি বানিয়েছে।

শাহাব-৪ মিসা’ইলটি তিন হাজার কিলোমিটার দূরে পর্যন্ত শ’ত্রু’দের ঘাঁ’টিতে আ’ঘাত হা’নতে সক্ষম। শাহাব সিরিজের মধ্যে শাহাব-৫ ক্ষে’পণা’স্ত্রটির ব্যাপারে ইস’রাইলি মি’ডিয়াগুলো জানিয়েছে, ইরানের কাছে থাকা মিসা’ইলগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে শ’ক্তিশা’লী।

খলিজ ফার্স মিসাইল 

ইরানের দাবিমতে, শব্দের গতির চেয়েও দ্রুতগতির ক্ষে’পণা’স্ত্র এটি। এটিকে যু’দ্ধজাহাজ ও স্থলভাগ থেকে চালানো যায়। এ মিসাইলটিকে ইরান স্মার্ট মিসাইল হিসেবে গণ্য করে। ইরানের বি’প্লবী বা’হিনীর উপপ্রধান মোহাম্মদ সালেহ জোকার এ মিসা’ইলটি স’ম্পর্কে জানিয়েছেন।’

তিনি বলেন, খলিজ ফার্স মিসাইলটি তিন হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যব’স্তুতে টা’র্গেট হা’নতে সক্ষম। এটির গড় ওজন ৬৫০ কিলোগ্রাম। ভবিষ্যতে দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আ’ঘাত হানার মতো প্রযুক্তি দিয়ে ক্ষে’পণা’স্ত্রটি তৈরি করা হয়েছে।

ফাতেহ-১১০

ইরানের হাতে থাকা ব্যালিস্টিক মিসা’ইলগুলোর মধ্যে ফাতেহ-১১০টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটিরও কয়েকটি সিরিজ রয়েছে। সমুদ্র থেকে ভূপৃষ্ঠ এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে সমুদ্রে এটি অনায়াসেই ব্যবহার করা যায়। ফাতেহ-৩১৩, জুলফিকার-৭০০, হরমুজ-১ এবং হরমুজ-২ সবই শ’ক্রঘাঁ’টিতে ভালোভাবে আ’ঘাত করতে পারবে। কদর-১১০ ইরানের

কদর ১১০

মিসা’ইলটি ইউরোপের জন্য হু’মকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইরানের দ্রুতগতির ক্ষে’পণা’স্ত্র ‍হিসেবে এটি অন্যতম। এ মিসা’ইলটি শ’ত্রুর চোখ ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে অনায়েসে ঢুকে যেতে পারে। শ’ত্রুদের রা’ডার অনেক ক্ষেত্রে এটিকে ধরতে সক্ষম হবে না বলে দাবি ইরানের। ইউরোপীয় সীমানা পর্যন্ত কদর-১১০ মিসা’ইল দিয়ে আ’ঘাত হানা যাবে। তাই এটিকে ইউরোপের জন্য হু’মকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here